মঙ্গলবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২২, ০৮:৫৮ অপরাহ্ন

সীতাকুণ্ডে ভেজাল পন্য কারখানার সন্ধান, ঘর সিলগালা

সীতাকুণ্ড প্রতিনিধি
  • প্রকাশ : মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই, ২০২০
  • ২৫৫

সীতাকুণ্ড উপজেলায় বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস এন্ড টেস্টিং ইন্সটিটিউশন বিএসটিআই (বিএসটিআই)এর নকল লেবেল লাগিয়ে নির্বিঘ্নে চলছিল ভেজাল পন্য ও অবৈধ মিনারেল ওয়াটার ব্যবসা।
গোপন তথ্যের ভিত্তিতে জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা (এনএসআই) অভিযান চালান সীতাকুণ্ড উপজেলার মাদামবিবিরহাটস্থ নেভি রোড খাদিমপাড়া এলাকার জনৈক নুরুল ইসলামের বাড়িতে। এ যেন কেঁচো খুঁড়তে গিয়ে সাপ বেরিয়ে আসার মত ঘটনা। প্রতিষ্ঠানের নেই কোনো নির্দিষ্ট ভবন নিজ বাড়িকে প্রতিষ্ঠান বানিয়ে চলছে রমরমা ব্যাবসা। বাইরে থেকে দেখে বুঝার কোন উপায় নেয় ঘরের ভিতরে চলছে এতো কিছু। এক ছাদের নিচে চার প্রতিষ্টান ।
মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) দুপুরে ঐ বাড়িতে অবৈধ মিনারেল ওয়াটার কারখানায় অভিযানে সন্ধান মেলে বাড়ির ভেতরে আরো বেশ কয়েকটি নকল ও ভেজাল পণ্য তৈরির কারখানার। দীর্ঘদিন ধরে ওই কারখানায় বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ড অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিটিউট (বিএসটিআই) ও পরিবেশ অধিদফতরের কোনও অনুমোদন ছাড়াই বিভিন্ন নকল পণ্য উৎপাদন করা হচ্ছিল।
অভিযানে প্রায় ৪ ধরনের নকল পণ্য ও উৎপাদনে ব্যবহৃত মেশিন পাওয়া যায়। এখানে পাওয়া যায় অবৈধ ও বিএসটিআই এর অনুমোদনহীন মিনারেল ওয়াটার, ফাহিম চা পাতা,আর এস এম ডিটারজেন্ট পাউডার,২ ষ্টার শাপলা মার্কা কালো দাঁতের মাজনসহবিভিন্ন পণ্য তৈরির বিষাক্ত কেমিক্যাল।
অভিযানের খবর পেয়ে পালিয়ে যায় বাড়ির মালিক নুরুল ইসলাম। এসময় তার বিরুদ্ধে মামলা দায়েরসহ কারখানাটির কয়েকটি রুম সিলগালা করে দেয়া হয়।
মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মিল্টন রায়। তিনি জানান, একটি বাড়ির কয়েকটি রুমকে নকল পণ্য তৈরীর কারখানা বানিয়েছে বাড়ির মালিক নুরুল ইসলাম। আমরা গোপন সংবাদের সূত্রে জানতে পেরে অভিযান পরিচালনা করে কারখানাটি সিলগালা করে দিই এবং সকল পণ্য ধ্বংস করি। অভিযানের খবর জানতে পেয়ে প্রতিষ্ঠানের মালিক পালিয়ে যায় তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

মোবাইল কোর্ট পরিচালনাকালে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা (এন এসআই) এর সহকারী পরিচারক শাহরিয়ার, অপু এবং সীতাকুণ্ডের জুনিয়র ফিল্ড অফিসার শেখ রেজাউল করিম।

Share This Post

আরও পড়ুন