মঙ্গলবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২২, ১০:০২ অপরাহ্ন

 বিশ্বের এই মহামারীতে  ২০২০ এই সালটি পৃথিবীর বুকে মানব চিত্তের স্বরনীয় হয়ে থাকবে

মহিউদ্দীন হাসান
  • প্রকাশ : শুক্রবার, ৩১ জুলাই, ২০২০
  • ৪০০

শুনতেই কেন জানি এক অভিশ্বাস এক বিষয়। যার নাম নভেল করোনো ভাইরাস। যদিও ভাইরাসটির পার্দুভাব ধীরে ধীরে সবাই বিশ্বাস ও করছে। এটাও সত্য যে ধীরে ধীরে সবাই এই মহামারী নভেল করোনো ভাইরাস কে নিজের জন-জীবনে নিজের সাথে মিলিয়ে নিয়েছে পরিবেশ,পরিবার, সমাজ সব কিছু এক নতুন নিত্যানন্দ তারা ভোগ করছে। যদিও বা এই তৃপ্তি এতটায় তিক্ততা যে ঘঠনার পরিক্রমে তা বুঝা যায়। কেমন ক্ষতির সম্মুখে এই পুরো পৃথিবী বলা বাহুল্য। কেমন জানি সবার মনে ধরেছে তাদের ইতিবাচক কথোপকথনের তৃপ্ততায় বুঝা যায় এই ভাইরাসটি যেন বহু আগেই থেকেই এই পৃথিবীতে ছিল এমনি এক গভীরতম মনোবাসনা দেখেই বুঝা যায়। এই মহামারী যেন মিলিত হয়ে গেছে এই হৃদয়ের পাশ্চিত্তে। ঘঠনার শুরুটা কিন্তুু হয়েছিল চীন প্রদেশে উহান নামক শহর জোড়েই ছিল যেন তার আর্বিভাব। শুনা যায় ২০১৯ সালের আগস্ট মাসেই তাদের মাঝে এমনটি এক প্রাণঘাতী ভাইরাস সেই প্রদেশে দেখা যায়। যার কারনে শত শত মানব বিলিন হতে শুরু করে এই পৃথিবী থেকে। শুধু ভাইরাসঘটিত এই ব্যাপকতা আমরা শুনতে পায় আমাদের গণমাধ্যম গুলোর মাঝে। তবে কে জানে সেই মহামারীতে আমাদের দেশ বাংলাদেশ কে ও যে শরীক হতে হবে এই ভাইরাসটির কাছে। শুধু বাংলাদেশ নয় আক্রান্তের দিক থেকে। ২৭ ই জুন ২০২০ সালের বিবিসি নিউজ বাংলার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে বিশ্বের প্রায় ১৮৮ টি দেশে ৯৮ লাখের ও বেশী মানুষ আক্রান্ত হয়েছে নোভেল করোনায়। মারা গিয়েছিল প্রায় ৫ লক্ষাধিক মানুষ। এর মধ্য ২১ শে এপ্রিল ২০২০ সালের দৈনিক ইনকিলাবের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল বিশ্বের প্রায় ১৫ টি দেশে করোনো রোগী শনাক্ত করা যায়নি। এদের মধ্য এশিয়া,আফ্রিকা ওশেনিয়া, তাজিকিস্তান,তুর্কমেনিস্তান এবং ওশেনিয়ার কিরিবাতি, টুভ্যালু,টংগা,সামোয়া, নাউরু,পালাও,এবং সংযুক্ত রাষ্ট্র মাইক্রোনেশিয়া দীপপুঞ্জে এখনো করোনো আগাত আনতে পারেনি।
বিশ্বের এই মহামারীতে ২০২০ এই সালটি পৃথিবীর বুকে মানব চিত্তের স্বরনীয় হয়ে থাকবে। স্বরনীয় হয়ে থাকবে এইবারের রমযানের ঈঁদুল ফিতরের খুশির দিনগুলো। অনেকেই যেতে পারেনী নিজ গন্তব্যস্থলে পরিবারের সাথে ঈঁদ উদযাপন করতে অনেকের সাথে কৌশল বিনিময় পূর্যন্ত হয়ে উঠেনি এই বছর ২০২০ সালের ঈঁদুল ফিতর।বাংলাদেশে করোনো দেখা দিয়েছিল ২০২০ সালের ২৭ ই মার্চ মাসে। শুরুতে ২/৩ জন করে মৃত্যুর সংখ্যা হলেও ধীরে ধীরে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়েই চলছে। এছাড়া বাংলাদেশে ৩১-০৭-২০২০ শক্রুবারে এক প্রতিবেদনে বলা হয় বাংলাদেশে মোট নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ১১, ৭৬,৮০৯ টি
শনাক্ত করা হয়েছে ২,৩৭,৬৬১ টি
মোট মৃত্য হয়েছে ৩,১১১ জন।
মোট সুস্হ হয়েছে ১,৩৫,১৩৬ জন।
এমনটি প্রতিদিন মৃত্যর মিছিল বৃদ্ধি পাচ্ছে।
শুরুতে লকডাউন থাকার কবলে অনেক কে মাষ্ক, হ্যান্ড গ্লবস ব্যবহারে করতে দেখা গিয়েছে বহু জন-সাধারনের কাছে। সন্ধা ০৭ টা বাজলেই দোকান বন্ধ রাস্তায় নেমে আসত তম তমে এক জন শূণ্য পরিবেশ। যেন এক ভূতুড়ে নগরী। তবে ইদানীং লকডাউন না থাকা হলেও প্রায় জন সম্মুখে এখন মুখে মাস্ক পরিহিত অবস্তায় বাহিরে দেখা যায়। যা বলা যায় সচেতনা মূলক ইঙ্গিত। সবচেয়ে বেশী দুর্দাসা জন-জীবন হয়ে উঠেছে যাদের দিনে এনে দিনে খায়। নুন আন্তে পান্তা যাদের ফুরায় লকডাউনে তাদের জন জীবনে জীবিকা নির্বাহে যেন তাদের দুঃখের কোন সীমা নেই। এক দিকে বহু মানুষ চাকরী হারিয়ে বেকার ভাবে জন জীবন যাপন করতে হয়েছে অনেক কে। অন্যদিকে অনেকেই নিজের আত্বীয় রক্তের বাঁধন কেউ বাবা কেউ মা, ভাই,বোন কে হারিয়ে শোকেজর্জরিত হয়ে আছে অনেক পরিবার। এতে আসার বাণী আলোর দিশা হয়ে তাদের পাশে ছিল বহু সংগঠন যারা মাহে রমযানেও তাদের বিনামূল্য ইফতার সেহরী ব্যবস্থা করেছে। সেই সাথে বহু সংঘঠন করোনো মোকাবেলায় বহু সেচ্ছাসেবী মূলক সংঘঠন ফ্রি এম্বুলেন্স সার্ভিস, ফ্রি অক্সিজেন সেবা,ফ্রি ঔষধ সেবা প্রকল্প ও লাশ দাফন কাফনে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করেছে বেশ কিছু সেবামূলক সংঘঠন। এদের মধ্য চোখে পড়ার মত যে সংঘঠন গুলো গাউছিয়া কমিটি বাংলাদেশ,নিষ্ঠা ফাউন্ডেশন, আজ্ঞুমানে খুদ্দামুল মুসলেমিন বাংলাদেশ সহ বেশ কিছু সেবা মূলক সংঘঠন এই কোভিট-১৯ এর ক্রান্তিকালে মানুষ মানুষের জন্য এই কথোপকথন টিকে সত্য রূপে বাস্তবায়নে সাড়া জাগানো কার্যফল লক্ষনীয় ছিল। একটি আসার বাণী সবার মাঝে বিরাজমান কবে নাগাত কোভিট-১৯ এর ভয়াবহ মৃত্যু পরী নগর থেকে আবার সুস্হ সুন্দর জন-জীবনে ফিরে আসবে এটিই যেন সবার প্রত্যাশা। মহান সৃষ্টিকর্তার কাছে সবার প্রার্থনা যেন এই মহামারী হতে সমগ্র বিশ্ব মুক্তি পায়। সব কিছু ভুলে সবাই আবারো নতুন রূপে সুস্হ পরিবেশের নতুন পূর্ব দিগন্তে সূর্যকে বরণ করবে নতুন ভাবে।

Share This Post

আরও পড়ুন