মঙ্গলবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২২, ১০:১১ অপরাহ্ন

প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়েছেন চবি’র সহকারী প্রক্টর ড.হানিফ মিয়া

চবি প্রতিনিধিঃ
  • প্রকাশ : বুধবার, ২২ জুলাই, ২০২০
  • ২৫৫

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি)সহকারী প্রক্টর পদ থেকে পদত্যাগের পর ড.হানিফ মিয়া তাকে নিয়ে গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদের কিছু অংশের প্রতিবাদ জানিয়েছেন ।

মঙ্গলবার (২১ জুলাই) রাতে চবির সমাজতত্ত্ব বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড.হানিফ মিয়া এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলেন, গত ২১ জুলাই একটি জাতীয় দৈনিকে ‘সমালোচনার মুখে চবি সহকারী প্রক্টর হানিফ মিয়ার পদত্যাগ’ শিরোনামে একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়। উক্ত সংবাদে যে সকল বিষয়কে উপস্থাপনের মাধ্যমে আমার পদত্যাগের বিষয়কে জনসমক্ষে তুলে ধরা হয়েছে তা সম্পুর্ণ ভ্রান্ত, অমূলক, বানোয়াট এবং নিছক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।

‘স্বনামধন্য পত্রিকাটি ও কয়েকটি অনলাইন পোর্টালে এমন মনগড়া এবং বনোয়াট সংবাদ প্রকশিত হওয়ায় আমি বিস্মিত ও ক্ষুদ্ধ। কারণ, এ সংবাদে আমার পদত্যাগের ব্যাপারে যে সকল কারণ উল্লেখ করা হয় তার কোনটিই এই পদত্যাগের সাথে সংশ্লিষ্ট এবং সম্পৃক্ত নয়।’

হানিফ মিয়া উল্লেখ করেন, কেননা যে সকল অভিযোগ সমূহকে আমার পদত্যাগের কারণ হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে তার কোনটিই প্রমাণিত সত্য নয়, অধিকন্তু এটি একটি বিশেষ মহলের দ্বারা প্ররোচিত এবং আগাগোড়াই উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। এমতাবস্থায় আমার বিরুদ্ধে এমন প্ররোচিত অভিযোগের প্রেক্ষিতে আমি যখন তথ্যপ্রযুক্তি আইনে অভিযোগকারীর বিরুদ্ধে মামলার প্রস্তুতি নিই, তখন জানতে পারি, অভিযোগকারী মো. ইফতেখার উদ্দিন আয়াজ (শিক্ষার্থী, ইতিহাস বিভাগ ও সাবেক সদস্য, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, চবি) গত ২৬ জানুয়ারী স্বাক্ষরিত একটি পত্রে আমার বিরুদ্ধে আনীত সকল অভিযোগ প্রত্যাহার করে মহামান্য রাষ্ট্রপতি কার্যালয়, মাননীয় সচিব সম্পদ বড়ুয়া, মাননীয় উপাচার্য চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় এবং প্রফেসর দিল আাফরোজা বেগম, সদস্য, বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন ও আহবায়ক, সংশ্লিষ্ট তদন্ত কমিটি বরাবর ‘ইতিপূর্বে লিখিত অভিযোগ প্রত্যাহার প্রসঙ্গে’ পত্র প্রেরণ করে, যেখানে সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ্য আছে, আমার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের সাথে তার কোন সংশ্লিষ্টতা নেই। তার প্রেরিত পত্রে তিনি এহেন কর্মকাণ্ডের জন্য দুঃখ প্রকাশ করে জেনে আমি অভিযোগকারীর বিরুদ্ধে মামলার প্রস্তুতি থেকে সরে আসি।

চবি শিক্ষক হানিফ মিয়া বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি পুকুর হতে মাছ ধরে নিয়ে যাওয়ার ব্যাপারে যে অভিযোগ আমার বিরুদ্ধে আনা হয়েছে তাও সর্বাগ্রে বিভ্রান্তিমূলক এবং মনগড়া। কারণ, তৎকালীন মাছ ধরার ব্যাপারে যথাযথ কর্তৃপক্ষের (প্রক্টর অফিস, এস্টেট শাখা, জীববিজ্ঞান অনুষদ অফিস) সম্মতিক্রমে প্রক্টর ও সহকারী প্রক্টরগণ, নিরাপত্তা দপ্তর, চবি পুলিশ ফাঁড়ি ইনচার্জ, ডিএসবি ও সিইডি কর্মকর্তা, চবি প্রকৌশল দপ্তর সহ সকলের উপস্থিতিতে মাছ ধরার কার্যক্রম সম্পন্ন হয়। তথাপি, যে ধরণের আক্রমণাত্মক ভাষায় এবং সুনির্দিষ্টভাবে আমার বিরুদ্ধে মাছ ধরে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে তা একেবারেই উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং আমার ব্যক্তিগত ভাবমূর্তি ক্ষূন্ন করার শামিল। এখানে উল্লেখ্য যে, যে মাছগুলো ধরা হয়েছিলো তার সমুদয় উল্লেখিত নিরাপত্তা কর্মী ও তাদের গাড়ী চালকদের মাঝে বন্টন করা হয়েছিলো।’

Share This Post

আরও পড়ুন