রবিবার, ২৫ জুলাই ২০২১, ০৫:৪২ অপরাহ্ন

ঢামেকের কাছে ৩০ হোটেলের পাওনা ৪০ কোটি টাকা

বিশেষ প্রতিনিধি
  • প্রকাশ : সোমবার, ২১ জুন, ২০২১
  • ২৬

করোনাকালে চিকিৎসক, নার্স ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য হোটেল কোয়ারেন্টাইনের ব্যবস্থা করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। হাসপাতাল সংশ্লিষ্টদের তিন মাস ৩০টি হোটেলে রাখা হয়, যার বিল এসেছে ৪০ কোটি টাকা। এই বিলের পুরোটাই বকেয়া।

সোমবার (২১ জুন) সকালে বকেয়া হোটেল বিল পরিশোধের দাবিতে ঢামেকের প্রশাসনিক ব্লকের সামনে বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল হোটেল অ্যাসোসিয়েশন (বিহা) মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে। পরে তারা পরিচালকের কাছে স্মারকলিপি দেন।মানববন্ধনে বিহার ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট কমিটির কো-চেয়ারম্যান খালেদ-উর-রহমান বলেন, ঢামেকের চিকিৎসক, নার্স ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের হোটেলে কোয়ারেন্টাইনের জন্য আমাদের হোটেলগুলোয় খাবারসহ আবাসনের ব্যবস্থা করা হয়। আমাদের হোটেলগুলোর সঙ্গে ঢাকা মেডিকেলের চুক্তির অন্যতম শর্ত ছিল- হোটেল কর্তৃপক্ষ প্রতি দশ দিন পর পর ঢাকা মেডিকেল কর্তৃপক্ষের কাছে বিল সাবমিট করবে এবং সাত কার্যদিবসের মধ্যে বিল পরিশোধ করা হবে। আমরা নানা বিধিনিষেধ অতিক্রম করে গতবছরের আগস্ট থেকে জুলাইয়ের বিল সাবমিট করি। কিন্তু ১১ মাস পার হলেও এখন পর্যন্ত কোনো বিল আমরা পাইনি। মন্ত্রণালয়ে যোগাযোগ করা হলে তারা বিল ছেড়ে দিয়েছেন বলে জানায়। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমরা বারবার যোগাযোগ করলেও কোনো সুফল পাচ্ছি না। তাই আমদের দাবি করা গতবছরের জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর (তিন মাস) পর্যন্ত ন্যায্য বিল চলতি বছরের ৩০ জুনের মধ্যে পরিশোধ করার দাবি জানাচ্ছি।মানববন্ধনে বিহার ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট কমিটির কো-চেয়ারম্যান খালেদ-উর-রহমান বলেন, ঢামেকের চিকিৎসক, নার্স ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের হোটেলে কোয়ারেন্টাইনের জন্য আমাদের হোটেলগুলোয় খাবারসহ আবাসনের ব্যবস্থা করা হয়। আমাদের হোটেলগুলোর সঙ্গে ঢাকা মেডিকেলের চুক্তির অন্যতম শর্ত ছিল- হোটেল কর্তৃপক্ষ প্রতি দশ দিন পর পর ঢাকা মেডিকেল কর্তৃপক্ষের কাছে বিল সাবমিট করবে এবং সাত কার্যদিবসের মধ্যে বিল পরিশোধ করা হবে। আমরা নানা বিধিনিষেধ অতিক্রম করে গতবছরের আগস্ট থেকে জুলাইয়ের বিল সাবমিট করি। কিন্তু ১১ মাস পার হলেও এখন পর্যন্ত কোনো বিল আমরা পাইনি। মন্ত্রণালয়ে যোগাযোগ করা হলে তারা বিল ছেড়ে দিয়েছেন বলে জানায়। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমরা বারবার যোগাযোগ করলেও কোনো সুফল পাচ্ছি না। তাই আমদের দাবি করা গতবছরের জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর (তিন মাস) পর্যন্ত ন্যায্য বিল চলতি বছরের ৩০ জুনের মধ্যে পরিশোধ করার দাবি জানাচ্ছি।

Share This Post

আরও পড়ুন