মঙ্গলবার, ৩০ নভেম্বর ২০২১, ০৭:১১ অপরাহ্ন

গাইবান্ধায় বন্যা পরিস্থিতির চরম অবনতি ॥ কয়েকটি বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ ঝুঁকিতে

গাইবান্ধা প্রতিনিধি
  • প্রকাশ : বুধবার, ১৫ জুলাই, ২০২০
  • ২৫৭

উজান থেকে নেমে আসা ঢলে ব্রহ্মপুত্র, ঘাঘট নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত। ভারী বর্ষণের কারণে জেলার সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির দিন দিন আরও অবনতি হচ্ছে। বন্যার পানি দিন দিন চরম অবনতি হওয়ায় ফুলছড়ি উপজেলার কঞ্চিপাড়া ইউনিয়নের ভাষারপাড়া সংলগ্ন বন্যা নিয়ন্ত্রন বাঁধ চুঁইয়ে পানি অপর পাড়ে যাচ্ছে। এতে বাঁধটি চরম হুমকির মুখে পড়েছে। বন্যার পানির তোড়ে বাঁধ ভেঙ্গে ফুলছড়ি, সাঘাটা ও সদর উপজেলার ব্যাপক এলাকা প্লাবিত হতে পারে বলে আশংকা করা হচ্ছে। বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ এলাকার লোকজন বালির বস্তা দিয়ে বাঁধের ভাঙন ঠেকানোর চেষ্টা চালাচ্ছে। এছাড়া খোলাহাটি ইউনিয়নের কিশামত বালুয়া এলাকায় বন্যা নিয়ন্ত্রন বাঁধও চুঁইয়ে চুঁইয়ে পানি আসায় তা হুমকির মুখে পড়েছে।

এদিকে ব্রহ্মপুত্রের পানি বৃদ্ধির ফলে সুন্দরগঞ্জ, ফুলছড়ি, সাঘাটা ও সদর উপজেলার ২৬টি ইউনিয়নের আরও নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হয়েছে। ফলে ঘরবাড়িতে বন্যার পানি ওঠায় পানিবন্দী পরিবারগুলো চরম দুর্ভোগের মধ্যে পড়েছে। শুকনো খাবার ও জ্বালানির অভাবে খাদ্য সংকটে পড়েছে বন্যার্ত মানুষ। এছাড়া গবাদি পশুরও খাদ্য সংকট দেখা দিয়েছে। বন্যা কবলিত এলাকার অনেকে ইতোমধ্যে বাড়িঘর ছেড়ে গরু ছাগল নিয়ে বন্যা নিয়ন্ত্রন বাঁধ ও উঁচু এলাকায় আশ্রয় নিতে শুরু করেছে। রাস্তাঘাট ডুবে যাওয়ায় যোগাযোগ ব্যবস্থা বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। জেলা কৃষি বিভাগ জানিয়েছে, নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে বন্যা কবলিত ৪টি উপজেলায় এখন পর্যন্ত ২ হাজার ২১ হেক্টর জমির পাট, আমন বীজতলা, আউশ ধান এবং বিভিন্ন শাকসবজির ক্ষেত তলিয়ে গেছে।

এদিকে পল্লীবিদ্যুৎ সমিতি ফুলছড়ির বন্যা কবলিত এলাকায় দুর্ঘটনা এড়াতে জনসাধারণকে বিদ্যুতের খুটি স্পর্শ না করার জন্য মাইকিং ও লিফলেট বিতরণ করা হচ্ছে। গাইবান্ধা পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, বুধবার দুপুর ১২টা ব্রহ্মপুত্রের পানি বিপদসীমার ১১৫ মিটার এবং ঘাট নদীর পানি ৯২ সে.মি. উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে।
গাইবান্ধায় বন্যা পরিস্থিতির চরম অবনতি ॥ বন্যা নিয়ন্ত্রিত কয়েকটি বাঁধ ঝুঁকিতে

উজান থেকে নেমে আসা ঢলে ব্রহ্মপুত্র, ঘাঘট নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত এবং ভারী বর্ষণের কারণে জেলার সার্বিক বন্যা পরিস্থিতি আরও দিন দিন অবনতি হচ্ছে। বন্যার পানি দিন দিন চরম অবনতি হওয়ায় ফুলছড়ি উপজেলার কঞ্চিপাড়া ইউনিয়নের ভাষারপাড়া সংলগ্ন বন্যা নিয়ন্ত্রন বাঁধ চুঁইয়ে পানি অপর পাড়ে যাচ্ছে। এতে বাঁধটি চরম হুমকির মুখে পড়েছে। বন্যার পানির তোড়ে বাঁধ ভেঙ্গে ফুলছড়ি, সাঘাটা ও সদর উপজেলার ব্যাপক এলাকা প্লাবিত হতে পারে বলে আশংকা করা হচ্ছে। বন্যা নিয়ন্ত্রিত বাঁধ এলাকার লেঅকজন বালির বস্তা দিয়ে বাঁধের ভাঙন ঠেকানোর চেষ্টা চালানো করছে। এছাড়া খোলাহাটি ইউনিয়নের কিশামত বালুয়া এলাকায় বন্যা নিয়ন্ত্রন বাঁধও চুঁইয়ে চুঁইয়ে পানি পড়ায় তা হুমকির মুখে পড়েছে।

এদিকে ব্রহ্মপুত্রের পানি বৃদ্ধির ফলে সুন্দরগঞ্জ, ফুলছড়ি, সাঘাটা ও সদর উপজেলার ২৬টি ইউনিয়নের আরও নতুন নতুন এলাকা প¬াবিত হয়েছে। ফলে ঘরবাড়িতে বন্যার পানি ওঠায় পানিবন্দী পরিবারগুলো চরম দুর্ভোগের মধ্যে পড়েছে। শুকনো খাবার ও জ্বালানির অভাবে খাদ্য সংকটে পড়েছে বন্যার্ত মানুষ। এছাড়া গোবাদি পশুরও খাদ্য সংকট দেখা দিয়েছে। বন্যা কবলিত এলাকার অনেকে ইতোমধ্যে বাড়িঘর ছেড়ে গরু ছাগল নিয়ে বন্যা নিয়ন্ত্রন বাঁধ ও উঁচু এলাকায় আশ্রয় নিতে শুরু করেছে। রাস্তাঘাট ডুবে যাওয়ায় যোগাযোগ ব্যবস্থা বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। জেলা কৃষি বিভাগ জানিয়েছে, নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে বন্যা কবলিত ৪টি উপজেলায় এখন পর্যন্ত ২ হাজার ২১ হেক্টর জমির পাট, আমন বীজতলা, আউশ ধান এবং বিভিন্ন শাকসবজির ক্ষেত তলিয়ে গেছে।

এদিকে পল্লীবিদ্যুৎ সমিতির পক্ষ হতে ফুলছড়ির বন্যা কবলিত এলাকায় দুর্ঘটনা এড়াতে জনসাধারণকে বিদ্যুতের খুটি স্পর্শ না করার জন্য মাইকিং ও লিফলেট বিতরণ করা হচ্ছে। গাইবান্ধা পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, বুধবার দুপুর ১২টা পর্যন্ত ব্রহ্মপুত্রের পানি বিপদসীমার ১১৫ মিটার এবং ঘাঘট নদীর পানি ৯২ সে.মি. উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল।

Share This Post

আরও পড়ুন