মঙ্গলবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২২, ০৭:৪৮ অপরাহ্ন

কালোবাজারি বন্ধ হোক, স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুক

সম্পাদকীয় | মোহাম্মদ অলিদ সিদ্দিকী তালুকদার |
  • প্রকাশ : সোমবার, ১৭ আগস্ট, ২০২০
  • ২৬৮

 

কালোবাজারি বন্ধ হোক, স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুক
ট্রেনের টিকিট নিয়ে কালোবাজারি বন্ধে রেলমন্ত্রণালয়ের উদ্যোগ ইতিবাচক। এটি বাস্তবায়ন করা গেলে রেলযাত্রীরা নিশ্চিতভাবেই উপকৃত হবেন। বন্ধ হবে কালোবাজারি। এ ব্যাপারে কার্যকর পদক্ষেপই দেখতে চান সংশ্লিষ্টরা।

এ প্রসঙ্গে রেলমন্ত্রী মো. নূরুল ইসলাম সুজন বলেছেন, ট্রেনের টিকিট নিয়ে যেন কোনো কালোবাজারি না হয় সেজন্য অনলাইনে টিকিট দেয়া হচ্ছে। আর তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহারে দুর্নীতি যেমন কমবে, আমাদের সময়ও বাঁচবে। অনলাইন টিকিট ক্রয়ে আস্তে আস্তে অভ্যস্ত হয়ে যাবে মানুষ। আমরা যা কিছু করছি সাধারণ যাত্রীদের জন্যই করছি। গতকাল রোববার ট্রেন চলাচলের সার্বিক বিষয়ে খোঁজখবর নিতে কমলাপুর স্টেশন পরিদর্শন শেষে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

এর আগে তিনি কমলাপুর রেলস্টেশনের ৩ নম্বর প্ল্যাটফর্মে দাঁড়ানো ঢাকা-কিশোরগঞ্জ-ঢাকা রুটে চলাচলকারী কিশোরগঞ্জ এক্সপ্রেস ট্রেনের যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলে যাত্রার সার্বিক বিষয়ে খোঁজখবর নেন। পাশাপাশি স্টেশনের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে সকল প্রকার স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করার বিষয়ে যথাযথ পদক্ষেপ নেয়ার নির্দেশ দেন। রেলমন্ত্রী বলেন, আমরা গত মে মাসে ১৭ জোড়া ট্রেন চালু করেছিলাম। আজ থেকে আরও ১৩ জোড়া ট্রেন চলাচল করবে। যেভাবে আমরা শুরু করেছিলাম সেই একইভাবে সকল স্বাস্থ্যবিধি মেনে ট্রেন পরিচালনা অব্যাহত থাকবে। তবে তার জন্য যাত্রীসাধারণ থেকে শুরু করে সকলকেই আমাদের সহযোগিতা করতে হবে।

অতীত অভিজ্ঞতা হচ্ছে, ঈদসহ বিশেষ দিগুলোতে বিক্রির শুরুর দিনই টিকিট সংকট দেখা দেয়। ট্রেনে কোটা পদ্ধতির কারণে সাধারণ যাত্রীরা বঞ্চিত হয়। অভিযোগ রয়েছে, এক শ্রেণির অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ভিআইপিসহ বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে বরাদ্দ দেওয়া টিকিট নিজেরাই কিনে নিয়ে উচ্চ দামে তা যাত্রীদের কাছে বিক্রি করে। এছাড়া টিকিট কালোবাজারির অভিযোগ তো অনেক পুরনো। দেখা যায় সারারাত টিকিটের জন্য অপেক্ষা করেও যাত্রীরা টিকিট পায় না। আবার বেশি মূল্য দিলেই ভিন্ন পথে তা পাওয়া যায়। এই কালোবাজারি বন্ধ করতে হবে। যাত্রীরা যাতে সহজেই টিকিট পায় সেটি নিশ্চিত করতে হবে। প্রয়োজনে এ জন্য ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান চালাতে হবে। ট্রেনের শিডিউল বিপর্যয় রোধ করতে হবে। এছাড়া সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিতে হবে অরক্ষিত ও ঝুঁকিপূর্ণ রেললাইনের ব্যাপারে। করোনা মহামারির সময়ে স্বাস্থ্যবিধি মেনে যেন রেল চলে সেটি নিশ্চিত করাটাও অত্যন্ত জরুরি।

লেখকঃ বিশেষ প্রতিবেদক এইচ টিভি ও শ্যামল বাংলা ডট নেট _|
সাবেক কাউন্সিলরঃ বিএফইউজে-বাংলাদেশ -| সদস্য ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন ( ডিইউজে -) ও মানবাধিকার সংগঠক _|

Share This Post

আরও পড়ুন